Table of Contents
পুরুষের বন্ধ্যাত্ব দূর করার প্রাকৃতিক উপায় ? ছেলেদের কোন কোন সমস্যা থাকলে বাচ্চা হয় না ?
পুরুষের বন্ধ্যাত্ব দূর করার উপায়: চিকিৎসা, ঘরোয়া সমাধান ও জীবনযাত্রার টিপস
পুরুষ বন্ধ্যাত্বের সমস্যা বিশ্বব্যাপী ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ৪০% বন্ধ্যাত্বের জন্য দায়ী পুরুষের শুক্রাণুর স্বল্পতা বা গুণগত সমস্যা। তবে সঠিক চিকিৎসা, জীবনযাত্রার পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক উপায়ে এই সমস্যা দূর করা সম্ভব। নিম্নে পুরুষ বন্ধ্যাত্ব থেকে মুক্তি লাভের করার কার্যকর উপায়গুলো বিশদভাবে আলোচনা করা হলো:

পুরুষের বন্ধ্যাত্ব এর প্রধান কারণ ?
বন্ধ্যাত্বের কারণ শনাক্ত করাই এর সমাধানের প্রথম ধাপ। প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- ভ্যারিকোসিল : অণ্ডকোষের শিরা ফুলে যাওয়া
- হরমোনাল ব্যালেন্স কম বা বেশি হওয়া : যখন টেস্টোস্টেরন , এফএসএইচ এবং এলএইচ হরমোন কমে যায় ।
- জেনেটিক সমস্যা : ক্লাইনফেল্টার সিনড্রোম, Y ক্রোমোজোম ডিলিশন।
- জীবনযাত্রাজনিত কারণ: ধূমপান, স্থূলতা, স্ট্রেস, তাপ এক্সপোজার।
- সংক্রমণ :এপিডিডাইমাইটিস, প্রস্টেটাইটিস।
পুরুষের বন্ধ্যাত্ব দূর করার চিকিৎসা পদ্ধতি ?
১. মেডিকেল ট্রিটমেন্ট:
- হরমোন থেরাপি: টেস্টোস্টেরন ইনজেকশন বা ক্লোমিফেন সাইট্রেট ট্যাবলেট।
- অ্যান্টিবায়োটিক: যৌনাঙ্গের সংক্রমণ দূর করতে।
- সার্জারি: ভ্যারিকোসিল অপসারণ, শুক্রাণু নালীর ব্লকেজ ঠিক করা।
২. অ্যাসিস্টেড রিপ্রোডাক্টিভ টেকনোলজি (ART):
| পদ্ধতি | বিবরণ | সাফল্যের হার |
|---|---|---|
| IUI | শুক্রাণু সরাসরি জরায়ুতে স্থাপন | ২০-৩০% |
| IVF | ল্যাবে ডিম্বাণু ও শুক্রাণু নিষিক্তকরণ | ৪০-৫০% |
| ICSI | একটি শুক্রাণু সরাসরি ডিম্বাণুতে ইনজেকশন | ৬০-৭০% |
| মাইক্রো-TESE | অণ্ডকোষ থেকে শুক্রাণু সংগ্রহ (এজোস্পার্মিয়ার ক্ষেত্রে) | ৫০-৬০% |
পুরুষের বন্ধ্যাত্ব দূর করার প্রাকৃতিক উপায় ?

জীবনযাত্রায় পরিবর্তন: ৭টি কার্যকরী টিপস
১. ধূমপান ও অ্যালকোহল বর্জন: শুক্রাণুর সংখ্যা ২৩% পর্যন্ত কমায়।
২. ওজন নিয়ন্ত্রণ: BMI ১৮.৫-২৪.৯ এর মধ্যে রাখুন।
৩. তাপ এড়ানো: টাইট অন্তর্বাস পরা বা ল্যাপটপ কোলে রাখা বন্ধ করুন।
৪. সুষম ডায়েট: জিঙ্ক (কুমড়ার বীজ), ভিটামিন সি (আমলকী), ওমেগা-৩ (স্যামন মাছ)।
৫. নিয়মিত ব্যায়াম: সপ্তাহে ১৫০ মিনিট হাঁটা/সাঁতার।
৬. মানসিক চাপ কমানো: মেডিটেশন, ইয়োগা।
৭. পর্যাপ্ত ঘুম: রাতের ৭-৮ ঘন্টা গভীর ঘুম।
ঘরোয়া প্রতিকার পুরুষের বন্ধ্যাত্ব: প্রাকৃতিক উপায়ে শুক্রাণু বৃদ্ধি
- আশ্বগন্ধা চূর্ণ: ১ চা চামচ গরম দুধের সাথে সেবনে টেস্টোস্টেরন বাড়ে।
- মেথি ভেজানো পানি: রাতে ভিজিয়ে সকালে খালি পেটে পান করুন।
- ডালিমের রস: অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শুক্রাণুর ডিএনএ রক্ষা করে।
- অ্যালোভেরা জেল: প্রতিদিন ২ চামচ খাওয়া যেতে পারে।
বাংলাদেশে পুরুষের বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসার সেরা হাসপাতাল ?
- ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
- বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ।
- ল্যাবএইড ফার্টিলিটি সেন্টার।
- স্কয়ার হাসপাতাল।
- এপোলো হসপিটাল ঢাকা।
ছেলেদের কোন কোন সমস্যা থাকলে বাচ্চা হয় না বা পুরুষের বন্ধ্যাত্ব ?
পুরুষের বন্ধ্যাত্ব : ছেলেদের যেসব সমস্যা থাকলে বাচ্চা হয় না, সেগুলো মূলত শুক্রাণুর উৎপাদন, গুণগত মান, চলনক্ষমতা, শারীরিক প্রতিবন্ধকতা ও হরমোনজনিত বিভিন্ন কারণে হতে পারে। নিচে প্রধান কারণগুলো তুলে ধরা হলো:
১. শুক্রাণু উৎপাদন ও গুণগত মানের সমস্যা :
- শুক্রাণু তৈরি না হওয়া: কারও কারও অণ্ডকোষে শুক্রাণু উৎপাদনই হয় না।
- শুক্রাণু খুব কম তৈরি হওয়া: স্বাভাবিকের তুলনায় শুক্রাণুর সংখ্যা কম থাকলে গর্ভধারণের সম্ভাবনা কমে যায়।
- শুক্রাণুর গুণগত মান খারাপ: শুক্রাণুর আকৃতি (মরফোলজি) বা গঠন স্বাভাবিক না হলে নিষেকের সম্ভাবনা কমে যায়।
- শুক্রাণুর গতিশীলতা কম: শুক্রাণু চলতে না পারলে বা খুব ধীরে চললে ডিম্বাণুতে পৌঁছাতে পারে না।
২. শুক্রাণুর চলাচলের পথে প্রতিবন্ধকতা :
- শুক্রাণু বেরোনোর পথে বাধা: জন্মগত ত্রুটি, সংক্রমণ, আঘাত বা অস্ত্রোপচারের কারণে শুক্রাণু বেরোনোর নালী বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
- বিপরীতমুখী বীর্যপাত : কোন পুরুষের উল্টা বা বিপরীতদিকে বীর্য পাত শুক্রাণু বাইরে না এসে আবার মূত্রথলিতে ফিরে যায়।
৩. হরমোনজনিত সমস্যা :
- হরমোনাল ব্যালেন্স কম বা বেশি হওয়া : যখন টেস্টোস্টেরন , এফএসএইচ এবং এলএইচ হরমোন কমে যায় ।
- পিটুইটারি বা হাইপোথ্যালামাসের সমস্যা: এসব গ্রন্থির সমস্যা থাকলে শুক্রাণু উৎপাদন কমে যেতে পারে।
৪. সংক্রমণ ও অন্যান্য শারীরিক সমস্যা:
- অণ্ডকোষের সংক্রমণ বা ফুলে যাওয়া: যেমন এপিডিডাইমাইটিস, প্রোস্টাটাইটিস।
- জেনেটিক বা ক্রোমোজোমাল সমস্যা: যেমন ক্লাইনফেল্টার সিনড্রোম।
- অণ্ডকোষের শিরা ফুলে যাওয়া (ভ্যারিকোসিল): শুক্রাণু উৎপাদন কমিয়ে দেয়।
৫. জীবনযাপন ও পরিবেশগত কারণ:
- ধূমপান, অ্যালকোহল, নেশাদ্রব্য ব্যবহার: শুক্রাণুর সংখ্যা ও গুণগত মান কমিয়ে দেয়।
- স্থূলতা ও অতিরিক্ত ওজন: হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে।
- বয়স, পরিবেশ দূষণ, কীটনাশক, ভারী ধাতু: শুক্রাণুর মান ও সংখ্যা কমাতে পারে।
৬. যৌন অক্ষমতা ও সহবাসে সমস্যা
- ইরেক্টাইল ডিসফাংশন বা সহবাসে অক্ষমতা: শুক্রাণু নারীর শরীরে পৌঁছাতে না পারলে গর্ভধারণ সম্ভব নয়।
সংক্ষেপে:
ছেলেদের শুক্রাণু উৎপাদন কম, শুক্রাণুর গুণগত মান বা চলনক্ষমতা খারাপ, শুক্রাণুর পথে বাধা, হরমোনের সমস্যা, সংক্রমণ, জেনেটিক ত্রুটি, জীবনযাপনের অসুবিধা বা যৌন অক্ষমতা থাকলে বাচ্চা হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায় বা বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
পুরুষের শুক্রাণু বাড়ে কি খেলে ?
পুরুষের শুক্রাণু বাড়ে কি খেলে :পুরুষের শুক্রাণু বাড়াতে খাদ্যাভ্যাসে কিছু নির্দিষ্ট খাবার ও পুষ্টি উপাদান যুক্ত করা অত্যন্ত কার্যকর। বিভিন্ন গবেষণা ও বিশেষজ্ঞদের মতে, সুষম ও স্বাস্থ্যকর খাবার শুক্রাণুর সংখ্যা, গুণগত মান এবং গতিশীলতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নিচে শুক্রাণু বাড়াতে কার্যকর কিছু খাবার ও তাদের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি তুলে ধরা হলো:
পুরুষের শুক্রাণু বাড়াতে কার্যকর খাবার
- ডিম: উচ্চমাত্রায় প্রোটিন ও ভিটামিন ই সমৃদ্ধ, যা শুক্রাণুর গঠন ও গতিশীলতা উন্নত করে।
- ডার্ক চকলেট: এতে এল-আর্জিনিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, যা শুক্রাণুর সংখ্যা ও কর্মক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক।
- আখরোট ও বাদাম: ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ, শুক্রাণুর ঝিল্লি ও গুণগত মান উন্নত করে।
- কুমড়োর বীজ: প্রচুর জিঙ্ক ও ওমেগা-৩ থাকে, যা টেস্টোস্টেরন বৃদ্ধি ও শুক্রাণু উৎপাদন বাড়ায়।
- মাছ (স্যামন, সার্ডিন, টুনা): ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড শুক্রাণুর সংখ্যা ৫০% পর্যন্ত বাড়াতে পারে।
- পালং শাক: ফোলেট ও ভিটামিন সি সমৃদ্ধ, শুক্রাণুর ডিএনএ ক্ষতি কমায় ও উৎপাদন বাড়ায়।
- কলা: ভিটামিন বি, সি ও ব্রোমেলাইন এনজাইম শুক্রাণুর উৎপাদন ও গতিশীলতা বাড়ায়।
- ঝিনুক (অয়েস্টার): জিঙ্কের অন্যতম সেরা উৎস, শুক্রাণু উৎপাদন ও মান বাড়াতে কার্যকর।
- রসুন: সেলেনিয়াম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শুক্রাণুর গুণগত মান উন্নত করে।
- ডালিম/আনার: অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ, শুক্রাণুর সংখ্যা ও গতিশীলতা বাড়াতে সাহায্য করে।
- দুধ ও মধু: একসাথে খেলে শুক্রাণুর সংখ্যা দ্রুত বাড়ে।
- অশ্বগন্ধা, মাকা রুট: শুক্রাণুর সংখ্যা ও গতিশীলতা বাড়াতে আয়ুর্বেদিকভাবে ব্যবহৃত হয়।
পুরুষের শুক্রাণু বাড়াতে খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপনের টিপস
- প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
- প্রসেসড ফুড, অতিরিক্ত চিনি, ফাস্টফুড ও অতিরিক্ত ক্যাফেইন এড়িয়ে চলুন।
- ধূমপান, অ্যালকোহল ও নেশাজাতীয় দ্রব্য পরিহার করুন।
- ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন ও নিয়মিত ব্যায়াম করুন।
- মানসিক চাপ কমান ও পর্যাপ্ত ঘুমান।
- ভিটামিন ডি ও জিঙ্ক সাপ্লিমেন্ট চিকিৎসকের পরামর্শে গ্রহণ করুন।
সংক্ষেপে
পুরুষের শুক্রাণু বাড়াতে ডিম, ডার্ক চকলেট, আখরোট, কুমড়োর বীজ, ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ মাছ, পালং শাক, কলা, ঝিনুক, রসুন, ডালিম, দুধ-মধু, অশ্বগন্ধা ও মাকা রুট অত্যন্ত কার্যকর। এসব খাবার নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখলে শুক্রাণুর সংখ্যা, গুণগত মান ও গতিশীলতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে। তবে, কোনো গুরুতর সমস্যা থাকলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
কোন ফলের রস খেলে বীর্য বাড়ে?
বীর্য (শুক্রাণু) বাড়াতে সবচেয়ে কার্যকর ও বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত যে ফলের রস খেলে উপকার হয়, তার মধ্যে শীর্ষে রয়েছে ডালিম (আনার) ও কলা। এছাড়াও টমেটো, বেরি, তরমুজ, শসা, অ্যাভোকাডো, ডুমুর ও ইমলির রসও শুক্রাণুর সংখ্যা ও গুণগত মান বাড়াতে সহায়ক।
বীর্য বাড়াতে উপকারী ফলের রস ও তাদের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি
১. ডালিম (আনার) রস
- ডালিমের রসে রয়েছে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, পলিফেনল ও ভিটামিন সি, যা শুক্রাণুর গুণগত মান ও সংখ্যা বাড়াতে সাহায্য করে।
- গবেষণা অনুযায়ী, নিয়মিত ডালিমের রস খেলে শুক্রাণুর সংখ্যা ও গতিশীলতা “বহুলাংশে” বৃদ্ধি পায় এবং যৌন স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়।
২. কলার রস/কলা
- কলায় আছে ভিটামিন এ, বি৬, সি, ম্যাগনেসিয়াম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শুক্রাণু উৎপাদন ও গতিশীলতা বাড়াতে কার্যকর।
- কলা খেলে শরীরে ব্রোমেলাইন নামক এনজাইমের উপস্থিতি শুক্রাণুর সংখ্যা ও গুণগত মান বাড়াতে সহায়তা করে।
৩. টমেটোর রস
- টমেটোতে লাইকোপেন নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, যা শুক্রাণুর গতিশীলতা ও গুণগত মান উন্নত করতে সাহায্য করে।
৪. বেরি ও সবুজ শাকের স্মুদি
- বেরি (স্ট্রবেরি, ব্লুবেরি) ও সবুজ শাকের স্মুদি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ, যা শুক্রাণুর ডিএনএ ক্ষতি কমায় এবং সংখ্যা বাড়াতে সাহায্য করে।
৫. তরমুজ ও শসার রস
- তরমুজে সিট্রুলাইনের উচ্চ মাত্রা ও শসায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শুক্রাণুর মান ও সংখ্যা বাড়াতে সহায়ক।
৬. অ্যাভোকাডো রস
- অ্যাভোকাডোতে জিঙ্ক, ফোলেট, ভিটামিন ই ও সি থাকে, যা শুক্রাণুর স্বাস্থ্য ফেরাতে কার্যকর।
৭. ডুমুরের রস
- ডুমুরে ভিটামিন ই, জিঙ্ক ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় শুক্রাণুর সংখ্যা ও উর্বরতা বাড়াতে সাহায্য করে।
৮. ইমলির রস
- ইমলির বীজের রস বা পানিতে ভিজিয়ে খেলে শুক্রাণুর সংখ্যা বাড়তে পারে, কারণ এতে ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে।
সংক্ষেপে
বীর্য (শুক্রাণু) বাড়াতে সবচেয়ে কার্যকর ফলের রস:
- ডালিম (আনার) রস
- কলার রস/কলা
- টমেটোর রস
- বেরি ও সবুজ শাকের স্মুদি
- তরমুজ ও শসার রস
- অ্যাভোকাডো রস
- ডুমুর ও ইমলির রস
নিয়মিত এসব ফলের রস পান করলে শুক্রাণুর সংখ্যা ও গুণগত মান উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে। তবে, সুস্থ জীবনযাপন ও সুষম খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখাও জরুরি।
FAQ: সাধারণ প্রশ্নোত্তর
Q: বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায় কত সময় লাগে?
A: কারণভেদে ৩ মাস থেকে ২ বছর।
Q: শুক্রাণু কমে গেলে কি আইভিএফ সম্ভব?
A: হ্যাঁ, ICSI পদ্ধতিতে মাত্র ১টি শুক্রাণু দিয়ে নিষেক করা যায়।
Q: ঘরোয়া উপায়ে কতদিনে ফল মিলবে?
A: নিয়মিত ৩-৬ মাস অনুসরণ করলে উন্নতি দেখা যায়।
উপসংহার:
পুরুষ বন্ধ্যাত্ব কোনো লজ্জার বিষয় নয়। সময়মতো চিকিৎসা, পুষ্টিকর খাবার ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের মাধ্যমে ৬০% ক্ষেত্রে এই সমস্যা সমাধান সম্ভব। সমস্যা জটিল হলে ফার্টিলিটি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন এবং আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতির সাহায্য নেওয়ায় দ্বিধা করবেন না।
📌 নোট: এই আর্টিকেলের তথ্য WHO, Medicover Hospitals, এবং Rela Institute-এর গবেষণা অনুযায়ী সংকলিত। চিকিৎসার আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।